প্রথম দিন, গন্তব্য তুমলিং

প্রায় বছর দুয়েক আগে ট্রেকিং করেছিলাম কেওক্রাডংয়ের চিংড়ি ঝর্ণা পর্যন্ত। কিছু কারণবশত দার্জিলিং পাড়া হয়ে আর কেওক্রাডং পর্যন্ত ওঠা হয়নি। মনের মধ্যে একটা জেদ কাজ করছিল, কেন পারিনি এত কাছে গিয়ে চূড়োয় উঠতে! এর মাঝে অনেকগুলো জায়গায় ঘুরে চলে আসলেও ট্রেকিংটা ঠিক আর করা হচ্ছিল না। গত সেপ্টেম্বরে শিমলা মানালি থেকে ঘুরে আসার পর মনে হচ্ছিল পাহাড়ে যাওয়া দরকার আবার। যেহেতু এক ভিসায় মাত্র একবার ভারত যাওয়া হয়েছে তাই নজর ছিল ভারতের প্রতিই। পশ্চিম বাংলার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সান্দাকফু ছিল পছন্দের তালিকায় শীর্ষে।
সান্দাকফু সম্পর্কে এর মধ্যে অনেকেই জেনে গেছেন, যারা জানেন না তাদের বলছি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১১,৯৩০ ফুট মানে প্রায় ১,১৯০ তলা উচ্চতার এক শৃঙ্গের অপর নাম ঠাণ্ডাকফু। আমাদের দেশে যখন হালকা শীত পড়ে সান্দাকফুতে তখন কনকনে ঠাণ্ডা। প্রায় ১১০ থেকে ১২০ কি.মি. বেগে হিমালয় থেকে বয়ে আসা ঠাণ্ডা বাতাস যে কারো মেরুদণ্ডের কাঁপুনি ধরিয়ে দিতে পারবে।
নভেম্বর থেকে জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত সান্দাকফুর গড় তাপমাত্রা থাকে মাইনাস ৫ থেকে ৬ ডিগ্রিতে। জানুয়ারির মাঝ বরাবর তুষারপাত থেকে শুরু করে জমে যাওয়া বরফ সবই দেখা যায় সান্দাকফুতে। সান্দাকফু যেতে হলে প্রথমে দার্জিলিং যেতে হবে, দার্জিলিং থেকে মানেভঞ্জন। মানেভঞ্জন থেকে দুই উপায়ে সান্দাকফু যাওয়া যায়। গাড়িতে এবং পায়ে হেঁটে। গাড়িতে গেলে দিনে গিয়ে দিনে ফিরে আসা যাবে, খরচ পড়বে ৪৮০০ রুপি।

দার্জিলিং, ছবিঃ লেখক

আর পায়ে হেঁটে গেলে খরচ আরো বেশি পড়বে। কারণ পথে মোট তিন জায়গায় (তুমলিং, কালাপোখরি, সান্দাকফু) রাত কাটাতে হবে, স্বাভাবিকভাবেই খরচ হবে। তবে যদি শরীর ফিট থাকে, হাঁটার উদ্যম আর প্রকৃতিকে কাছ থেকে দেখার ইচ্ছে থাকে তবে আমি বলবো, হেঁটে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। হেঁটে হেঁটে যে সৌন্দর্য দেখা যায়, সময় নিয়ে উপভোগ করা যায় গাড়ির গতিতে সেটা পারা যায় না।

সান্দাকফু ট্রেকিং রুট, ছবিঃ oocities.org

সেমিস্টার ফাইনাল চলাকালীন আমাদেরই কিছু কাছের বন্ধু ঘুরতে গেল দার্জিলিং, সান্দাকফু। ট্রেকিং করে উঠবে তারা, এমনটাই প্ল্যান ছিল তাদের। পরে শেষমেষ ট্রেকিং আর করা হয়নি ওদের। গাড়িতে করে দেখে এসেছে সান্দাকফু। আমরা মুখিয়ে ছিলাম তাদের অভিজ্ঞতা শোনার জন্য। সান্দাকফু ফেরত বন্ধু আসার সাথে সাথে একটু আড্ডা দিয়ে আসলাম।
প্ল্যান আমার করা ছিল আগেই, শুধু মিলিয়ে নিচ্ছিলাম। বন্ধুর কথা শুনে একটু ভয়ও কাজ করছিল, বলছিল খাড়াপথ নাকি প্রচুর। শ্বাসকষ্ট হয় বেশি উচ্চতায়, ইনহেলার নিয়ে যেতে বলল। তবে বন্ধু আমাকে হতাশ করেনি, বলেছে চেষ্টা করলেই পারবো। বন্ধুর কথায় ভরসা পেলাম। আর ৪ দিন, শেষ পরীক্ষাটা দিয়েই উড়াল দিবো সান্দাকফু পানে, সাথে যাচ্ছে চার বন্ধু আর রুমমেট বড় ভাই যিনি পাশ করে একদম সদ্য তাজা ইঞ্জিনিয়ার।

দার্জিলিং থেকে মানেভঞ্জন যাওয়ার পথে, ছবিঃ লেখক

জানুয়ারির ২৬ তারিখ খুব ভোরে রওনা দিলাম খুলনা থেকে বেনাপোলের উদ্দেশ্যে। বর্ডার পার হতে হতে দুপুর হয়ে গেল, বর্ডার থেকে বনগাঁ স্টেশন আর সেখান থেকে ২০ রুপি দিয়ে শিয়ালদাহ আসতে বিকেল ৪টা বেজে গেল। অবশ্য আমাদের কোনো তাড়া ছিল না। শিয়ালদাহ থেকে নিউ জলপাইগুড়ির ট্রেনের টিকেট ১ মাস আগেই কেটে রেখেছিলাম। রাত সাড়ে ৯টায় ট্রেন ছিল আমাদের।
নিউমার্কেট থেকে একটু ঘুরে আসলাম সবাই মিলে। আমাদের কেউ কেউ ট্রেক করার জন্য ভালো জুতোও কিনে নিল, জুতোটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা দিক সান্দাকফুতে যাওয়ার জন্য। হাইনেক আর ভালো গ্রিপ থাকা চাই জুতোয়। পৌনে দশটার দিকে ট্রেন ছেড়ে দিল আমাদের। এই জানুয়ারির শীতের রাতে বড় ভাই ছাড়া আর কেউই চাদর নামক বস্তুটি আনিনি, তাই শীতে কাঁপতে কাঁপতে বাকিটা রাত ঘুমিয়ে-না ঘুমিয়ে পার করে দিলাম।

নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন, ছবিঃ লেখক

সকাল সকাল চেঁচামেচিতে ঘুম ভেঙে গেল, দেখলাম প্রায় চলে এসেছি। নিউ জলপাইগুড়িতে নেমে অটো নিয়ে চলে গেলাম শিলিগুড়ি জীপ স্ট্যান্ডে। সেখান থেকে দার্জিলিংয়ের জীপে উঠে পড়লাম, ভাড়া ১৮০ রুপি করে। দার্জিলিং যাবার রাস্তাটা আঁকাবাকা আর ধীরে ধীরে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ফুট উপরে উঠে গেছে। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে যে রাস্তা পেছনে ফেলে আসছি আমরা তা আবার উপর থেকে দেখা যায়, অদ্ভুত সুন্দর সর্পিলাকার পথ। দার্জিলিং পৌছে গেলাম বিকাল সাড়ে চারটা নাগাদ।

দার্জিলিং যাওয়ার পথে, ছবিঃ লেখক

হোটেল গ্রুভ হিলে চেক ইন করে বেরিয়ে পড়লাম দার্জিলিংয়ের রাস্তায়। পরের দিন ভোরের জন্য গাড়ি ঠিক করে রেখেছিলাম স্থানীয় জায়গাগুলো দেখার জন্য। দার্জিলিংয়ে দেখার মতো রয়েছে টাইগার হিল, ঘুম মনেস্ট্রি, ঘুম স্টেশন, হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, এইচএমআই চিড়িয়াখানা, রক গার্ডেন, চা বাগান। একদিনেই দেখা শেষ করলাম দার্জিলিং।

রক গার্ডেন, দার্জিলিং। ছবিঃ লেখক

জানুয়ারির ২৯ তারিখ দার্জিলিং থেকে মানেভঞ্জন চলে গেলাম জীপে, ভাড়া ১২০ রুপি। মানেভঞ্জন থেকে শুরু করতে হবে ট্রেকিং। খুঁজতে লাগলাম গাইড কোথা থেকে পাওয়া যায়। ওখানকার গাইড সমিতির অফিসও পেয়ে গেলাম। প্রতিদিন গাইডকে দিতে হয় ৮০০ রুপি করে। পাসপোর্ট এন্ট্রি করিয়ে সাথে পেয়ে গেলাম এক নেপালি গাইড, নাম সোম বাহাদুর। খুব সহজ সরল আর হাসিখুশি কিন্তু ফিট এই গাইড মহাশয় আমাদের পুরো ভ্রমণটাকে করেছে আরো বেশি সুন্দর।

সোম বাহাদুর জী, ছবিঃ লেখক

সকাল তখন সাড়ে এগারোটা। পাহাড়ে খাবারের অনেক দাম শুনে গিয়েছিলাম। তাই নুডুলস, চকোলেট, বিস্কিট কিনে নিলাম সবাই। সোম বাহাদুর বললো এখন রওনা দিলে দুপুর ১টা নাগাদ ১৪ কি.মি. দূরে প্রথম বিরতি তুমলিংয়ে পৌঁছে যাবো।
কিছুদূর এগিয়ে সিংগালিলা পার্কের টিকেট কাটলাম ২০০ রুপি দিয়ে, পাসপোর্ট এন্ট্রি করালাম আবার। এই টিকেটটা কাটতেই হয়, না কেটে উপায় নেই।
শুরু করলাম হাঁটা। পিচ ঢালা পথে উপরে উঠে যেতে শুরু করলাম। প্রথম ২০ মিনিট হাঁটার দ্রুততা আর শরীরে শক্তির মাত্রা বেশি থাকলে আস্তে আস্তে গরম লাগা শুরু করলো। বলতে ভুলে গিয়েছি, প্রত্যেকের গায়ে তখন তিন থেকে চার স্তরের কাপড় ছিল, লেয়ার টেকনিক বলে এটাকে। ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে ভারী কিছু না পরে স্তরে স্তরে কাপড় পরলে ভালো গরম লাগে। কিন্তু এত গরম লাগবে ভাবিনি।
রাস্তায়ই কাপড় খুলতে লাগলো টিম মেম্বাররা। বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাল সবুজ গামছা পেঁচিয়ে দুইখানা প্যান্ট থেকে একখানা প্যান্টও বাদ দিল অনেকে। আমরা উপরে দাঁড়িয়ে মজা নিচ্ছিলাম, বাম দিকে চোখ পড়তেই চোখ আটকে গেল, নেপাল বর্ডার, সারি সারি ঝাড় গাছ আর দূরের পাহাড়।

ট্রেকিং শুরু, ছবিঃ লেখক

বাতাসের তাণ্ডব শুরু হয়ে গেছে ততক্ষণে। আমার বেশ ভালোই লাগছিল, ঠাণ্ডা বাতাস উপভোগ করছিলাম। গাড়িতে সান্দাকফু যাওয়ার জন্য সুন্দর কনক্রিটের রাস্তা বানিয়ে রাখা হয়েছে। তবে ট্রেকিংয়ের পথ সেই কনক্রিটের রাস্তা দিয়ে যায়নি পুরোটা। কয়েকশ’ সিঁড়ি দিয়ে তৈরি করা আছে ট্রেকিং পথ। সিঁড়িগুলো উচ্চতায় একটু বেশি, তাই উঠতে কষ্ট হতে পারে।
সিঁড়ি দিয়ে উঠে রাস্তা, রাস্তার পাশে সিঁড়ি, আবার সিঁড়ি ওঠা এভাবে উঠতে উঠতে ২ কি.মি. দূরের চিত্রা গ্রামে পৌঁছালাম। এর মধ্যে একই সাথে ঠাণ্ডায় আর গরমে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে গিয়েছিল একজন টিম মেম্বারের। ওর অবস্থা বেগতিক দেখে বললাম চিত্র ১ এ থেকে যেতে। পরে জানুয়ারির ৩১ তারিখ গাড়ি নিয়ে সান্দাকফু চলে আসবে এমনটা ঠিক করে বাকি ৫ জন রওনা দিলাম তুমলিংয়ের উদ্দেশ্যে।

চিত্রে থেকে হাঁটা শুরু আবার, ছবিঃ লেখক

এখানে বলে রাখা ভালো, পাহাড় পাহাড়ের জায়গায় থাকবে কিন্তু শরীর সায় না দিলে ঠিক সে জায়গা থেকে ফিরে আসা উচিত বা অন্য কোন উপায় খোঁজা উচিত। দুপুর দুইটার দিকে আবহাওয়া খারাপ হতে শুরু করল, প্রচণ্ড ঝড়ো বাতাস বইতে শুরু করল। নিজেকে সোজা রাখাটাই কষ্ট হয়ে যাচ্ছিল সেই বাতাসে, হাঁটছিলাম তবুও, কারণ সান্দাকফু পৌঁছাতেই হবে আমাদের, যেকোনো মূল্যে।
ঘণ্টায় তিন কিলোমিটার গড় বেগ ছিল আমাদের হাঁটার। দুপুর ৩টার দিকে চারদিকে এমন কুয়াশা পড়া শুরু করলো যে এক হাত দূরের জিনিসও দেখা যাচ্ছিল না। বাঙালির ঠাণ্ডার অস্ত্র মাফলার আর মাংকি টুপি পেঁচিয়ে চশমার কাঁচ মুছতে মুছতে এগিয়ে যাচ্ছিলাম।

ট্রেকিং চলছে, চলবে। ছবিঃ টিম মেম্বার আসিফ

মাঝে মাঝে ৫-৬ মিনিটের বিশ্রাম নিচ্ছিলাম আমরা, দাঁড়িয়ে। সান্দাকফু ট্রেকে এই ব্যাপারটা অনেক কাজে লেগেছিল, পুরো ট্র্যাকে খুব কষ্ট না হলে মাটিতে বসে পড়িনি কেউ। খাড়া পথে উঠতে উঠতে ধপাস করে বসে পড়লে পা জ্যাম হয়ে যায়, আর উঠতে ইচ্ছা করে না। তাই যত পারি বসে পড়া থেকে বিরতে রাখছিলাম নিজেদের। দেখতে দেখতে সাড়ে ৪ টার দিকে মেঘমা এসে পৌঁছালাম।

মেঘমা, ছবিঃ লেখক

মেঘমায় নুডুলস খেয়ে আর পাসপোর্ট এন্ট্রি করিয়ে আবার হাঁটা শুরু করলাম। সোম বাহাদুরজীর সাথে গল্প করতে করতে এগিয়ে যাচ্ছিলো পুরো টিম। বিকেল ৫টার দিকে কুয়াশার মাত্রাটা সর্বাধিক হয়ে গেল। চোখের সামনে কুয়াশা ছাড়া কিছুই দেখছিলাম না। কাছে আসলে চোখে পড়ছিল ছোট মন্দির, গরুর গোয়াল, স্থানীয়দের ঘরবাড়ি।
প্রচণ্ড পাথুরে রাস্তায় হোঁচট খাওয়া অস্বাভাবিক নয়, তাই সাবধানে পথ চলছিলাম। বাহাদুরজী কোত্থেকে জানি অনেকগুলো লাঠির মতো নিয়ে আসলো, প্রত্যেককে একটা করে দিলো। বুঝতে পারছিলাম সামনে খাড়া পথ আছে।

খাঁড়া পথের আগের অংশে, ছবিঃ লেখক

অবশেষে সেই খাড়া পথ এলো। দেখে হতাশ হয়ে গেলাম, এতটা খাড়া পথ উঠতে হবে চিন্তা করি নি, নাক বরাবর খাড়া উঠে গেছে পথটি। পাথরের দিকে তাকালাম, আর পারবো পারবো চিন্তা করে বড় নিঃশ্বাস নিয়ে ওঠা শুরু করলাম, আর উঠেও গেলাম। উঠেই ধাক্কা খেলাম, সবাই হাসছে। আমাকে নিয়ে নয়, হাসছে কারণ তুমলিং এসে পড়েছি! আর মাত্র ১০০ কদম হাঁটলেই পৌছে যাবো নেপালিদের কটেজে। সন্ধ্যা ৬টায় শেষ পর্যন্ত পৌঁছালাম তুমলিয়ে। প্রথম দিনের ট্রেক শেষের খুশিতে বেশ কয়েকটা ছবি তুলে নিলাম, যদিও আলো কম ছিল কিন্তু মেঘের ছড়াছড়িতে মন ভালো হয়ে গিয়েছিল।

তুমলিং, ছবিঃ টিম মেম্বার দীপ সেন

কটেজে উঠে ফ্রেশ হয়ে সাথে নিয়ে আসা নুডলস দিলাম তাদের রান্না করে দিতে, ১০০ রুপি রাখে রান্নার চার্জ হিসেবে। নেপালিরা অসম্ভব ভালো। প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় জমে যাওয়া আমাদের জন্য আগুনের ব্যবস্থা থেকে শুরু করে চা বানিয়ে পর্যন্ত খাওয়ালো। বড় চিমনিতে আগুন পোহানোর ব্যবস্থা দেখে খুশি হয়ে গেলাম, এগুলো শুধুমাত্র সিনেমাতেই দেখেছি আমরা। রাতে আবার ভাত খেলাম নিরামিষ দিয়ে, ওখানে আমিষ চলে না।
ভুলেও কেউ গরুর মাংস চেয়ে বসবেন না। একটা বড় রুমে প্রত্যেকের ২টা করে কম্বল বরাদ্দ থাকলেও শীত যেন মানছিলই না। হালকা গল্প-গুজব করে মনে পড়ল কাল সকালে ১৬ কিলোমিটার হাটতে হবে। সারাদিনের ধকলের পর আবার ট্রেকিংয়ের আতঙ্ক আর ভালো লাগা নিয়ে টিম মেম্বাররা একে একে ঘুমিয়ে পড়তে শুরু করলো। আমি অনেকক্ষণ জেগে ছিলাম, উপভোগ করছিলাম পাহাড়ের নৈশব্দ।

(চলবে…)

ফিচার ইমেজ- indiahikes.com

Must Read

নয়ন জুড়াতে পারেন দারুচিনি দ্বীপের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে

“বাংলার মুখ দেখিয়াছি তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর” – কবি জীবনানন্দ দাশ হৃদয়ের গভীর থেকে চয়ন করেছেন এই কথা যা বাংলাদেশের...

শৈলপ্রপাতের কত রূপ!

বান্দরবান শহর থেকে নীলগিরি, থানচি কিংবা রুমার দিকে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথে যাত্রা শুরু করে, ৮ কিলোমিটার সামনে গেলেই পাহাড়ের সবুজের ভেতর থেকে কানে আসবে...

প্যারাগ্লাইডিং করে আকাশে উড়বার জন্য বিশ্বে সেরা যে স্থানগুলো

মানুষের মন বড় বেশিই বৈচিত্র্যময়। তার কখনো আকাশ ছুঁতে ইচ্ছে হয়, কখনো ইচ্ছে হয় মেঘে ভেসে বেড়াতে, কখনোবা তার হারিয়ে যেতে ইচ্ছে হয় সমুদ্রের...