যে গিরিতটের নীলিমায় হারিয়ে যাওয়া যায় অনায়াসেই

বান্দরবান যাওয়ার প্ল্যান হচ্ছিল দু’মাস আগ থেকে। কিন্তু দিন তারিখ ঠিক হচ্ছিল না কিছুতেই। দু’দিন পর পর নীল আর ইমুর কাছে ভাঙা ক্যাসেট প্লেয়ার অন করে জিজ্ঞেস করি, “কবে যাবি তোরা?”
দিন যায়, কোনো খবর নেই। তারপর হুট করে প্ল্যানিং, এমনকি টিকিট কাটাও সারা। আমিও চট করে চলে এলাম এডভ্যাঞ্চারের লোভে। নিজের দেশটা ঘুরে দেখার শখ আমার অনেক দিনের।
চট্টগ্রাম শহর ছেড়ে আমাদের বাস যখন বান্দরবানের রাস্তায় নেমে পড়ল, তখন সবে ভোর হচ্ছে। বৃষ্টি হবার কারণে রাস্তার দুইধারের জলাশয়গুলোর পানি ঘোলাটে হয়ে আছে। কিছুক্ষণ পর শুরু হলো আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা। রাস্তা আর রাস্তার বাঁক দেখে আমরা মুগ্ধ।

একেবেঁকে পাহাড়ি রাস্তা, Source: hassantanvir.wordpress.com

শহরে পৌঁছে ভাড়া করা হোটেলে গিয়ে ফ্রেশ হলাম। এরপরই বেরিয়ে পড়লাম নীলগিরির দিকে, চাঁদের গাড়িতে চড়ে। বান্দরবানের আলীকদম থেকে থানচিগামী রাস্তা ধরে পাহাড়ি পথে নীলগিরি পৌঁছানো যায়। আমরা সেই পথই ধরলাম।
চাঁদের গাড়িকে স্থানীয়রা ডাকে ‘চান্দের গাড়ি’। এরকম নামকরণ করার কারণ হলো, এই গাড়ি নিয়ে নাকি চাঁদেও যাওয়া যায়! গাড়িটার একটু বর্ণনা দেই। লেগুনার মতোই দেখতে, কিন্তু সাইজে আরো বড়। খুবই শক্তিশালী ইঞ্জিন, ফোরহুইলার। আর উপরের ছাদ খোলা। চাইলেই দাঁড়িয়ে থেকে দুপাশের প্রকৃতি দেখা যায়।

পাখির চোখে নীলগিরি, Source: jessorenews24.com

আমরা তাই-ই করলাম। পাহাড় কেটে বানানো রাস্তা দিয়ে এঁকেবেকে তুমুল গতিতে গাড়ি চলছে, আর আমরা সবাই চিৎকার করে গান ধরেছি। তীব্র একটা বাঁক পার হবার পর রাস্তার এক ধার থেকে হঠাতই পাহাড় সরে গেল। দূরে তাকিয়ে দেখি দিগন্তবিস্তৃত নীলের ছড়াছড়ি। এই তাহলে নীলগিরি? গিরিতট এত ঘন নীল হবে কেন?
যাওয়ার পথে মাত্র দুই-একবার নীলগিরি দেখলাম। চোখের সামনে থেকে পাহাড়ের বাঁধা সরে গেলেই কেবল তা দেখা যায়। একবার দেখলাম, বিস্তৃত নীলগিরির শুধু একটা অংশে সূর্যের আলো পড়ছে। আর কোথাও পড়ছে না। সেই সৌন্দর্য কোনো ক্যামেরায় বন্দি করা সম্ভব না। সৃষ্টিকর্তার দেওয়া চোখ দিয়েই কেবল তা অবলোকন করা যায়।

আকাশ জোড়া নীল, Source: hassantanvir.wordpress.com

আবহাওয়া খারাপ হচ্ছে। মেঘও দেখা যাচ্ছে খুব কাছে। আরেকটু এগিয়ে গেলেই মেঘ ছুঁতে পারবো।
যতোই সামনে এগুচ্ছি, আকাশ কালো হয়ে ঘন মেঘে ঢেকে যাচ্ছে। চিম্বুক পেরিয়ে সামনে যাওয়ার সাথে সাথেই মেঘের সমুদ্রে ঢুকে গেলাম। তুষারের মতো মেঘ আমাদের মাথায় মুখে ছুঁয়ে যেতে লাগলো। দুপাশে সাদা আর সাদা। মনে হচ্ছে ঘন কুয়াশায় ছেয়ে আছে। কিন্তু এই শরতে শীতের কুয়াশা আসবে কোত্থেকে? তবে কি মেঘের দেশে চলেই এলাম?
নীলগিরির শেষ মাথা পর্যন্ত এলাম। তখনো চারপাশে সাদার আধিক্য। সাদার মাঝে কেবল নীলগিরি হিল রিসোর্টের ভবনটি ছাড়া আর কিছুই দেখা যায় না। নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,২০০ ফুট উপরে অবস্থিত। তাই সবসময় মেঘমণ্ডিত থাকে।
এই যে কুয়াশাময় একটা ধোঁয়াশা চারপাশে, এটা মেঘের কারণেই। আর এটাই এই পর্যটন কেন্দ্রের বিশেষ আকর্ষণ। পুরো পর্যটন কেন্দ্রটিই প্রতিষ্ঠা করেছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তারাই এর পরিচালনা করে থাকেন। আমরা কয়েকজন সেনা সদস্যকে ইতস্তত পায়ে হেঁটে বেড়াতে দেখলাম। এই পর্যটন কেন্দ্রটি বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে কাফ্রুপাড়া সংলগ্ন পাহাড় চূড়ায় অবস্থিত।

মেঘের সমুদ্র, Source: arthosuchak.com

দুর্গম এই পাহাড়ে গড়ে তোলা হয়েছে আকাশ নীলা, মেঘদূত, নীলাতানা নামে পর্যটকদের জন্য সকল সুবিধা সম্বলিত তিনটি কটেজ। কটেজগুলো রাত্রি যাপনের জন্য ভাড়া পাওয়া যায় এক হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকার মধ্যে। এখানে রয়েছে অত্যাধুনিক একটি রেস্টুরেন্ট। পাহাড়ি পথ পেরিয়ে নীলগিরিতে পৌঁছেই রেস্টুরেন্টে পেট পুরে খাওয়া যায়।
নীলগিরির রাতের সৌন্দর্য নাকি আরো হতবাক করে। চারদিকে হরিণ, শিয়ালসহ বিভিন্ন বন্য প্রাণীর ডাক আর পাহাড়গুলোর আলো-আঁধারির খেলা দেখা যায়। যারা এডভেঞ্চার পছন্দ করেন তাদের জন্য রাতের নীলগিরি হতে পারে উৎকৃষ্ট স্থান। আমরাও এডভেঞ্চার পছন্দ করি, কিন্তু আমাদের হাতে তো সময়ই নেই। অনেকগুলো জায়গা দেখতে হবে। এখানে থাকার কোনো সুযোগ নেই।
নীলগিরির কাছাকাছি রয়েছে বেশ কয়েকটি ম্রো আদিবাসীদের গ্রাম। চাইলে ওখানেও ঘুরে আসা যেত। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাম্প থাকায় এখানে নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি নেই। গ্রামটি সম্পর্কে জানতাম না বলে যাওয়া হয়নি।

নীলগিরির নীল শুভ্র মেঘে ডুবে আছে, Source: hassantanvir.wordpress.com

নীলগিরির চূড়া থেকেই নাকি কেওক্রাডং, বগা লেক, সাঙ্গু নদী, কক্সবাজারের সমুদ্র এবং চোখ জুড়ানো পাহাড়ের সারিও দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু ঘন মেঘে ঢাকা থাকায় এসবের কিছুই দেখা হয়নি।
ভিআইপিদের সরাসরি অবতরণের জন্য এখানে নির্মাণ করা হয়েছে হেলিপ্যাডও। তবে সাধারণ দর্শনার্থীদের হেলিপ্যাডে প্রবেশ করা নিষেধ। নীলগিরিতে সৃষ্টি করা হয়েছে ফুলের বাগান, পাহাড়ের উপরে সুন্দর এই ফুলের বাগানও অবাক করার মতো।

নীলগিরির চারধারে রেলিং দিয়ে ঘেরা, Source: hassantanvir.wordpress.com

কিছু সময় ওখানে কাটিয়ে আমরা ফিরতি পথে চললাম। ততক্ষণে মেঘ কেটে গেছে। এবার চোখের তৃষ্ণা মিটিয়ে নীলগিরির নীল দেখলাম। ইচ্ছে ছিল কাছে গিয়ে এর রং কেন নীল, সেটা বের করব। কিন্তু বুঝতে পারলাম, নীলগিরির নীল রং কাছ থেকে দেখা যায় না। ছোঁয়া যায় না। তাই নীলগিরি কেন নীল, সেই রহস্য উদঘাটন করতে পারিনি। তবে এটুকু অনুমান করতে পারি, কাছে গেলে নীল রংটা আর দেখা যাবে না। তাই ওটা দূর থেকেই সুন্দর।
নীলগিরি তার রূপের পসরা সারা বছরই মেলে ধরে রাখে। একেক সময়ে একেক রূপের আঁধার নীলগিরি। সকালে মেঘের ভেলার খেলা, সূর্যোদয়ের আলোর খেলা। বিকেলের সূর্যাস্ত কিংবা জ্যোৎস্না রাতের মায়াময় চারপাশ আপনাকে মুগ্ধ হতে বাধ্য করবেই। সাধারণত বর্ষা, শরৎ ও হেমন্তে মেঘের ভেলার লুকোচুরি খেলা প্রত্যক্ষ করা যায় দারুণভাবে। আর এই জন্যে নীলগিরিতে খুব সকালে যেতে হবে।
আমরা ঠিক সময়টায় গিয়েছিলাম। শরৎ আর হেমন্তের মেঘ আর নীল আকাশ মিলেমিশে একাকার হয়ে থাকে। শীতে কুয়াশার চাদরে মুড়ে থাকে চারপাশ। তাই নীলগিরি যেতে পারবেন যে কোনো সময়ই। তবে বর্ষায় অতি বৃষ্টি হলে পাহাড় ধ্বসের আশংকা থাকে। তখন অনেক সময় নীলগিরি যাবার রাস্তা বন্ধ থাকে।

চাইলে অলস বসে থেকেও দুচোখ ভরে মেঘের জলকেলি উপভোগ করতে পারবেন, Source: ekushey-tv.com

কীভাবে যাবেন:

নীলগিরি যাবার জন্যে দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে প্রথমে বান্দরবান আসতে হবে। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে এস. আলম, সৌদিয়া, সেন্টমার্টিন পরিবহন, ইউনিক, হানিফ, শ্যামলি, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহনের বাস বান্দরবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। জনপ্রতি এসব বাসের ভাড়া যথাক্রমে নন এসি ৫৫০ টাকা ও এসি ৯৫০-১৫০০ টাকা। ঢাকা থেকে বাসে বান্দরবান যেতে সময় লাগে ৮-১০ ঘন্টা।
ট্রেনে যেতে চাইলে ঢাকা থেকে চট্রগ্রামগামী সোনার বাংলা, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, তূর্ণা নিশিতা, মহানগর গোধূলি এইসব ট্রেনে করে চট্রগ্রাম যেতে পারবেন। শ্রেণীভেদে ভাড়া ৩৫০ থেকে ১২০০টাকা। এছাড়া ঢাকা থেকে আকাশ পথে সরাসরি চট্রগ্রাম আসতে পারবেন।
চট্টগ্রামের বদ্দারহাট থেকে পূবালী ও পূর্বানী নামের দুটি বাস বান্দরবানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এ দুটি বাসে জনপ্রতি ২২০ টাকা ভাড়া। চট্রগ্রামের ধামপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে ২০০-৩০০ টাকা ভাড়ায় বাসে করে বান্দরবান আসা যায়
বান্দরবান থেকে নীলগিরি
বান্দরবান থেকে জীপ/চান্দের গাড়ি/মহেন্দ্র/সিএনজি অথবা লোকাল বাসে করে নীলগিরি যাওয়া যায়। সবচেয়ে ভালো হয়, আমাদের মতো চান্দের গাড়ি রিজার্ভ করে নিয়ে গেলে। এতে করে আশেপাশের আরও কিছু জায়গায় ঘুরে দেখা যাবে। যদি দিনে দিনে ফিরে আসতে চান তাহলে বান্দরবান জীপ স্টেশন থেকে গাড়ি অনুযায়ী ৩০০০-৫০০০ টাকা ভাড়ায় যাওয়া আসা সহ রিজার্ভ করতে পারেন।
চান্দের গাড়িগুলোতে ১৪ জন, ল্যান্ডক্রুজার টাইপ জীপগুলোতে ৭-৮ জন, ছোট জীপে ৪-৫ জন আর সিএনজিতে ৩-৪ জন যাওয়া যাবে। রাস্তায় কোনো সমস্যা না থাকলে যেতে সময় লাগবে দুই থেকে আড়াই ঘন্টার মতো। নীলগিরিতে যদি মেঘের দেখা পেতে চান তাহলে আপনাকে খুব ভোরে রওনা দিতে হবে যেন ৭-৮টার ভেতর নীলগিরি থাকতে পারেন।

সিঁড়ি বেয়ে নামা যায় নিচের গিরিখাতে, Source: tob.camp/wiki

সদস্য সংখ্যা কম হলে কিংবা কম খরচে যেতে চাইলে লোকাল বাসে যেতে পারেন, তবে এতে সময় লাগবে বেশি। থানচি বাস স্ট্যান্ড থেকে ১ ঘন্টা পর পর থানচির উদ্দেশ্যে বাস ছেড়ে যায়, ভাড়া ১২০ টাকা। তবে নীলগিরি যেতে ইচ্ছুক এমন অন্য কোনো গ্রুপের সাথে ভাড়া শেয়ার করে যোগ দিতে পারেন।
নীলগিরি যাওয়ার পথে নিরাপত্তাজনিত কারণে সেনা চেকপোষ্টে পর্যটকদের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ করতে হয়। সাধারণত বিকেল ৫টার পর থেকে নীলগিরির উদ্দেশ্যে আর কোনো গাড়ীকে যেতে দেয়া হয় না, তাই ভ্রমণের পূর্বে সময়ের দিকে খেয়াল রাখুন। নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রে যাবার জন্যে পর্যটকদের কাছ থেকে টিকেট বাবদ জনপ্রতি ৫০ টাকা এবং গাড়ির জন্য আলাদা ৩০০ পার্কিং ফি নেয়া হয়।

কোথায় থাকবেন:

নীলগিরিতে সেনবাহিনী নিয়ন্ত্রিত কটেজে থাকার ব্যবস্থা আছে। ছয়টি কটেজে থাকার জন্যে রুম প্রতি ভাড়া পড়বে ৪,০০০-১০,০০০ টাকা। তবে নীলগিরি রিসোর্টে থাকতে চাইলে আগে থেকেই বুকিং দিতে হবে এবং বুকিং দিতে সেনাবাহিনীর অফিসার পর্যায়ে পরিচিত কর্মকর্তার রেফারেন্স লাগবে। এই রিসোর্ট সবার কাছেই আকর্ষনীয় হওয়ায় সাধারণত মাস খানেক আগে বুকিং না দিলে রুম পাওয়া যায় না। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে চাহিদা বেশি থাকে।

নীলগিরি হিল রিসোর্ট, Source: arthosuchak.com

এছাড়া বেশীরভাগ পর্যটক বান্দরবান থেকে নীলগিরি দিনে গিয়ে দিনেই বান্দরবান ফিরে আসেন। বান্দরবানে থাকার জন্যে বেশ কিছু হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। বান্দরবান শহর ও তার আশেপাশেই হোটেল ও রিসোর্টগুলোর অবস্থান। বান্দরবান থাকার জন্যে যে সকল হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে তার মধ্যে-
হোটেল হিল ভিউ: বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর পাশেই। ভাড়া ৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা।
হোটেল হিলটন: বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর কাছেই। ভাড়া ৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা।
হোটেল প্লাজা: বাস স্ট্যান্ড থেকে ৫ মিনিট হাঁটা দূরত্বে। ভাড়া ৬০০ থেকে ৩০০০ টাকা।
রিভার ভিউ: শহরের সাঙ্গু নদীর তীর ঘেঁষে হোটেলটির অবস্থান। ভাড়া ৬০০ থেকে ২০০০ টাকা।
পর্যটন মোটেল: পাহাড় ও লেকের পাশেই অবস্থিত। শহর থেকে ৪ কি:মি: দুরে মেঘলায় অবস্থিত। ভাড়া ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা।
মনে রাখা ভালো, কোন সময়ে যাচ্ছেন তার উপর ভাড়া নির্ভর করবে। সিজন (ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারী) ও সরকারি ছুটির দিনে পর্যটকের সমাগম বেশি হয় বলে ভাড়া কমবেশি হতে পারে। আর আপনি সিজন কিংবা ছুটির দিনে গেলে, ঝামেলা এড়াতে আগে থেকেই হোটেল রুম বুকিং করে রাখতে পারেন। অফসিজনে গেলে ২০-৫০% ডিসকাউন্ট থাকে। এছাড়া অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, মোটেল এবং রেস্ট হাউজ রয়েছে যেগুলোতে ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় সহজেই রাত্রিযাপন করতে পারবেন।

কোথায় খাবেন:

নীলগিরিতে একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে, খিদে পেলে পেট ভরে সেখান থেকে খেয়ে নিতে পারেন। তবে সেখানে খেতে হলে আগে থেকে অর্ডার করে রাখতে হবে, জনপ্রতি ৩০০-৬০০ টাকায় খেতে পারবেন। অথবা ফিরে এসে বান্দরবান শহরে খেয়ে নিতে হবে। যাবার সময় কিছু শুকনো খাবার সাথে নিয়ে নিতে পারেন। বান্দরবান শহরে খাওয়ার জন্যে রয়েছে বেশি কিছু রেস্তোরা, তার মধ্যে তাজিংডং ক্যাফে, মেঘদূত ক্যাফে, ফুড প্লেস রেস্টুরেন্ট, রুপসী বাংলা রেস্টুরেন্ট, রী সং সং, কলাপাতা রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি নামকরা।
ফিচার ইমেজ – arthosuchak.com

Must Read

নয়ন জুড়াতে পারেন দারুচিনি দ্বীপের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে

“বাংলার মুখ দেখিয়াছি তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর” – কবি জীবনানন্দ দাশ হৃদয়ের গভীর থেকে চয়ন করেছেন এই কথা যা বাংলাদেশের...

শৈলপ্রপাতের কত রূপ!

বান্দরবান শহর থেকে নীলগিরি, থানচি কিংবা রুমার দিকে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথে যাত্রা শুরু করে, ৮ কিলোমিটার সামনে গেলেই পাহাড়ের সবুজের ভেতর থেকে কানে আসবে...

প্যারাগ্লাইডিং করে আকাশে উড়বার জন্য বিশ্বে সেরা যে স্থানগুলো

মানুষের মন বড় বেশিই বৈচিত্র্যময়। তার কখনো আকাশ ছুঁতে ইচ্ছে হয়, কখনো ইচ্ছে হয় মেঘে ভেসে বেড়াতে, কখনোবা তার হারিয়ে যেতে ইচ্ছে হয় সমুদ্রের...